আবারও পাকিস্তান দলে খেলতে পারেন আমির!

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৩ ১২:২৬:১৬ অপরাহ্ণ

চলমান বার্তা অনলাইন ডেস্ক:
২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর বল হাতে প্রতিপক্ষদের একের পর এক কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমির। মাত্র ১৮ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়া থেকে শুরু করে ইংল্যান্ড, প্রায় প্রতিটি প্রতিপক্ষের শিবিরে কাঁপন ধরিয়েছিলেন আমির।

কিন্তু এরপর স্পট ফিক্সিংয়ের ফাঁদে পা দেন পাকিস্তানের এই পেসার। ফলশ্রুতিতে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন আমির। এরপর শাস্তিও ভোগ করেন এই পাকিস্তানি পেসার। নিষেধাজ্ঞার শাস্তি শেষ হওয়ার পর আবারও ক্রিকেটে ফিরেছিলেন আমির। খেলেছিলেন জাতীয় দলের হয়েও। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতিয়েছিলেন দলকে।

কিন্তু এরপর রমিজ রাজা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি হিসেবে আসতেই আমিরের জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন ফিকে হতে থাকে। রমিজের প্রথম কথা ছিল, যারা অতীতে দুর্নীতি করেছে তাদের জাতীয় দলে খেলতে দেবেন না তিনি। আমিরও হতাশায় পড়ে ২০২০ সালে জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেন।

তবে গত বছর রমিজ আবার সভাপতির পদ থেকে সরে গেলে আবারও আমিরের জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন জেগে ওঠে। পিসিবির বর্তমান সভাপতি নাজম শেঠির সঙ্গে আমিরের সম্পর্ক বেশ ভালো বলে আমিরের জাতীয় দলে ফেরার গুঞ্জন ওঠে। অবশেষে শেঠি জানিয়ে দিয়েছেন, যদি আমির নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন তবে পাকিস্তানের জার্সিতে আবারও খেলতে পারবেন।

নাজম শেঠি বলেন, ‘মোহাম্মদ আমির পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে আবারও ক্রিকেট খেলতে পারবে যদি সে তার অবসরের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন। আমি সবসময় ম্যাচ-ফিক্সিং ইস্যুতে শক্ত অবস্থানে থাকতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, কোনো দোষী ক্রিকেটার পার পাবে না। কিন্তু একই সঙ্গে এই কথাও বলতে চাই, কোনো ক্রিকেটার তার প্রাপ্য শাস্তি পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

মোহাম্মদ আমির মনে করেছে আগের বোর্ডের অধীনে সে ঠিকমতো ক্রিকেট খেলতে পারবে না। রমিজ রাজার ভাবনা ছিল, যে একবার দুর্নীতি করেছে সে আর কখনও পাকিস্তানের হয়ে খেলতে পারবে না। কিন্তু আমার ভাবনা এমন নয়। কেউ শাস্তি ভোগ করলে তার পাকিস্তানের জার্সিতে কামব্যাক করার অধিকার আছে।’

১৩ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা আমির জাতীয় দলের হয়ে ৩৬টি টেস্ট, ৬১টি ওয়ানডে এবং ৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ৩০ বছর বয়সী এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার জাতীয় দলের হয়ে একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছেন। আমিরের অভিষেকের পর থেকে এটিই পাকিস্তানের সাফল্য।

আরও পড়ুন : স্নায়ুক্ষয়ী ম্যাচে সাকিবদের হারাল মাশরাফীরা

জনপ্রিয়