শিরোনাম

ইউপি নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, জোর খাটালেই আইনি ব্যবস্থা

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, জানুয়ারি ৩, ২০২২ ৯:২৭:১০ অপরাহ্ণ

হাফিজুর শেখ, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন যশোরের কেশবপুরের ১১ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচনে যে কেউ জোর খাটালে বা গোলযোগের চেষ্টা করলেই তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। যদি কেউ এসব অনিয়ম দূরীকরণে ব্যর্থতার পরিচয় দেয় তাদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার (০৩ জানুয়ারি) কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। যারাই জোর খাটিয়ে, গোলযোগ সৃষ্টি করে নির্বাচনী ফলাফল পরিবর্তন করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন থেকে নিযুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যে নির্বাচনে সকল ভোটার তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদেরও গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ার করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) প্রলয় কুমার জোয়ার্দার বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে যশোর জেলা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করবে। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। ভোটারদের আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, আগামী ০৫ জানুয়ারি ইউপি নির্বাচনে একেবারেই তারা শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। সেজন্য পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

এসপি বলেন, এই নির্বাচনে কাউকেই সহিংসতা করতে দেয়া হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রে অস্ত্রধারী পুলিশসহ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরে টহল পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তৎপর থাকবে। নির্বাচনটি উৎসবমুখর হবে। নির্দিধায় প্রত্যেক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রদান করবেন। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ফিরে যাবেন এজন্য কোনো ধরনের সমস্যা যেন না হয় তার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের পূর্ববর্তী, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরবর্তী এই তিন সময়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তৃতা করেন, জেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবির, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বোরহান উদ্দীন ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রশিদ।

অনুষ্ঠানে কেশবপুরের ১১ টি ইউনিয়নের ৪৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে এ উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়