কিয়েভের কাছাকাছি অবস্থান নিচ্ছে রুশ সেনাবাহিনি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শুক্রবার, মার্চ ১১, ২০২২ ১০:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ

চলমান বার্তা ডেস্ক
রুশ সামরিক বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পাঁচ কিলোমিটার কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে। একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর বিবিসির।

স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে কিয়েভের কাছাকাছি একটি রুশ সেনাবহর দেখা গেছে। সেখানে কিয়েভের আশপাশের অঞ্চলে রুশ বাহিনীকে আবারও মোতায়েন হতে দেখা গেছে। এটি কিয়েভের দিকে রুশ বাহিনীর নতুন করে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

ম্যাক্সার টেকনোলজিস-এর মতে, রুশ সামরিক বহরগুলোকে শেষ বার আন্তোনভ বিমানবন্দরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু, এখন সেগুলো আশপাশের শহরে অবস্থান নিতে সরে গেছে।

ম্যাক্সার বলছে—অন্যান্য ছবিতে দেখা যায় যে, কিছু বহর লুবিয়াঙ্কার কাছে অবস্থান নিয়েছে এবং কাছাকাছি আর্টিলারি স্থাপন করেছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছিলেন—রুশ বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় কিয়েভের পাঁচ কিলোমিটার কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে। এর অর্থ হলো—কিয়েভের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এগিয়ে আসা রুশ সেনারা এখন কিয়েভের কেন্দ্র থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। সেইসঙ্গে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এগিয়ে আসা রুশ বাহিনী শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর চেরনিহিভ এখন ‘বিচ্ছিন্ন’ হয়ে পড়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে রুশ বাহিনী এ পর্যন্ত ৭৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে তাঁরা জানান।

এ ছাড়া ইউক্রেনের বিমানবাহিনী বলেছে—তারা গতকাল বৃহস্পতিবার ১০টি রুশ যুদ্ধবিমানকে আঘাত করেছে এবং দুটি বড় অস্ত্রবাহী বহর ধ্বংস করেছে। তবে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

এদিকে, খারকিভ শহরে তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে। বিবিসির সংবাদদাতা কুয়েন্টিন সোমারভিল এবং ক্যামেরাম্যান ড্যারেন কনওয়ে এক সপ্তাহ কাটিয়েছেন যুদ্ধ বিপর্যস্ত ওই শহরে, যেখানে দেখা যায়—ইউক্রেনীয় বাহিনী রুশ বাহিনীকে ঠেকাতে লড়াই করছে।

ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে গতকাল রাতভর বিমান হামলা চলে। এতে বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক নিহত হন। আহত হন আরও শতাধিক মানুষ।

ইউক্রেনীয় সেনারাও সামনের সারিতে থেকে প্রতিরোধের কথা জানায়।

আরো পড়ুন : তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন-রাশিয়ার বৈঠক

জনপ্রিয়