কেশবপুরে চাঁদা না দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারপিটের অভিযোগ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২২ ৭:৪৫:৫৭ অপরাহ্ণ

হাফিজুর শেখ, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
চাঁদার টাকা না দেয়ায় কেশবপুরে পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে ঘের ব্যবসায়ীকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ঘের ব্যবসায়ী খন্দকার ইনতাজ আলী মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, পৌর শহরের ব্রক্ষাকাটি এলাকার খন্দকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে খন্দকার ইনতাজ আলী দীর্ঘদিন ধরে ঘের ব্যবসা করেন।

কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদার টাকা না দেয়ায় বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও হয়রানি করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার শহরের মাছ বাজারে একতা ফিস নামের একটি মাছের আড়তে মাছ বিক্রি করতে গেলে আবুল কালাম আজাদ একদল ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে খন্দকার ইনতাজের নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আবুল কালাম আজাদ ওই ঘের ব্যবসায়ীর উপর চড়াও হয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে ইনতাজ আলীর বুকে লাথি মেরে ড্রেনে ফেলে দেয়।এলাকাবাসী আহত ইনতাজ আলীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ইনতাজ আলী কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইনতাজ আলী জানান, আবুল কালাম আজাদ তিন বছর পূর্বে আমার নিকট থেকে ৩৬ শতক জমি ৯ লাখ টাকা চুক্তিতে ক্রয় করেন। ছয় লাখ টাকা দিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করে নিয়ে বাকি তিন লাখ টাকা না দিয়ে তালবাহানা শুরু করে। ওই টাকা না দিয়ে উল্টো আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। আমার ঘেরের কর্মচারীদেরও বিভিন্ন সময়ে হুমকি প্রদান করেছেন।

পৌর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ইনতাজ আলী আমার কাছ থেকে তার ঘেরের মাছের খাদ্য ক্রয় করেন দীর্ঘদিন ধরে। তার কাছে ২০ লাখ টাকা বাকি রয়েছে। টাকা দিতে না পারার কারণে ৩৬ শতক জমি লিখে দিয়েছেন যেটা তার পরিবারের সবাই এমনকি এলাকাবাসীরা জানেন।এ বিষয়ে আমি কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। বাকি টাকা চাইতে গেলে টাকা না দিয়ে একটি পক্ষের ইন্ধনে পড়ে সে উল্টো আমার নামে চাঁদা দাবির মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।

এবষিয়ে কেশবপুর থানার ওসি বোরহান উদ্দীন বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয়