খালেদা জিয়ার জন্য ইফতারে বরাদ্দ ৩০ টাকা, সংহতি জানালো বিএনপি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, মে ২৯, ২০১৯ ১১:২১:১৫ পূর্বাহ্ণ
Fakrul
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : ফোকাস বাংলা

 

নিজস্ব সংবাদদাতা
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ইফতারের জন্য সরকারের বরাদ্দ ৩০ টাকা। তাই আমরা তাঁর সম্মানে  বিএনপি’র ইফতার পার্টিতে  প্রতিজনের জন্য ৩০ টাকার ইফতার আয়োজন করেছে।

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ইফতারের প্রতি সংহতি জানিয়ে ৩০ টাকা মূল্যে ইফতার করলেন রাজনৈতিক নেতারা। মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে লেডিস ক্লাবে ওই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।

ইফতারের আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আমাদের এ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হতে হয়েছে। গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই ফ্যাসিস্ট সরকার অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রেখেছে। আমরা যখন ইফতারের জন্য অপেক্ষা করছি, ঠিক তখনই খালেদা জিয়া কারাগারে চিকিৎসারত অবস্থায় পিজি হাসপাতালের ছোট একটি কক্ষে ইফতারের জন্য অপেক্ষা করছেন।

Ifter BNP
ছবি : ফোকাস বাংলা

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়ে আমাদের ওপর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছে। আমরা আজকে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করব তিনি যেন আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ দান করেন। বাংলাদেশের মানুষ যেন গণতন্ত্র ও সুশাসন ফিরে পায় এবং দেশনেত্রী যেন আমাদের মাঝে সুন্দরভাবে ফিরে আসে আজ মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমরা সেই প্রার্থনা করব।

ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, আলতাব হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান ও শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু ও হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নাজমুল হক নান্নু, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার প্রমুখ।

২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক তাসনিম আলম, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির মঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি লস্কর মো. তাসলীম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মাদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দীন মনি, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা ইছাহাক, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল প্রমুখ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মধ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, গণফোরাম নেতা মেজর জেনারেল (অব.) আমসা আ আমিন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:

নামমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে খালেদা জিয়ার, অভিযোগ বিএনপি’র

Leave a Reply

Your email address will not be published.

জনপ্রিয়