দূর্ভোগে পশ্চিম দামোদর পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, জুন ২৩, ২০১৯ ১০:০০:৪৯ অপরাহ্ণ

গাইবান্ধা থেকে মোঃ শাহাদাত হোসেন (খোকন):
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষার জন্য এসো সেবার জন্য বেড়িয়ে যাও। কথাগুলো বলেছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের পশ্চিম দামোদর পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুল আলম। কিন্তু বিদ্যালয়টিতে রয়েছে নানাবিধ সমস্যা।

সহকারী শিক্ষক মকবুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়টি ১৯৯১ সালে স্থাপিত হয়। যাহা জমির পরিমাণ ৪০ শতাংশ। জমিদাতা হচ্ছেন মোঃ আকবর আলী আহম্মদ আলী ও আবুল হোসেন।

প্রধান শিক্ষক জানান বিদ্যালয়টি ভবন রয়েছে ১টি যার শ্রেণি কক্ষ রয়েছে ৩টি। অফিস কক্ষ রয়েছে ১টি। বর্তমানে ছাত্র ছাত্রী প্রায় ২০০ জন।
সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ হোসনে আরা চলমান বার্তার গাইবান্ধার জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহাদাত হোসেন (খোকন) কে জানান, উক্ত বিদ্যালয়ে বাচ্চাদের বসার জন্য ব্রেঞ্চের বড়ই অভাব রয়েছে।

চলমান বার্তার অন্যান্য খবর>>

নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫ রানে হারলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করবে আওয়ামী লীগ : শেখ হাসিনা

‘মাদ্রাসা নয়, সাধারণ শিক্ষা থেকেই বেশি জড়াচ্ছে জঙ্গিবাদে

বিদ্যালয়টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও ছেলে মেয়েদের রুমে কোন ফ্যান নেই। এতে করে পাঠ দানে যেমন খুবই সমস্যা তেমনি প্রচন্ড গরমে ছাত্র ছাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে। তিনটি রুমের প্লাস্টার উঠে গিয়ে ইট বের হয়েছে। ভবনের ছাদের ফুটে হওয়ায় সামান্ন বৃষ্টি হওয়ায় পানি পড়ে শ্রেণী কক্ষ গুলো ব্যবহার অনপুযোগি হয়ে পড়ে।

বিগত ২০০৭ সালে সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রকৌশল অফিসে ভবন নির্মানে জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দলিল খারিজ খতিয়ানসহ যাবতীয় কাগজ পত্র প্রেরণ করা হলে আজও বিদ্যালয়টিতে ভবন নির্মিত হয়টি।

বিদ্যালয়টিতে একটি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষকদের পাঠদান ব্যহত হচ্ছে উক্ত শূন্য পদে লোক নিয়োগ করা প্রয়োজন। উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে এলাকী বাসি বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

আরও পড়ুন :দেশে প্রথম ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যাচ্ছে মোংলা পোর্ট পৌরসভা

Leave a Reply

Your email address will not be published.

জনপ্রিয়