নিউ মার্কেটের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শুক্রবার, এপ্রিল ২২, ২০২২ ৭:৪২:৫৩ অপরাহ্ণ

চলমান বার্তা ডেস্ক
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘নিউ মার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনা তো সবার সামনে ঘটেছে। এ বিষয়ে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু সিসিটিভি ফুটেজ নয়, প্রত্যেক সাংবাদিকের ক্যামেরায় ফুটেজ আছে। একটু ধৈর্য ধারণ করুন। পুলিশ তদন্ত করছে। নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ যারা হামলা ও অন্যায়ের শিকার হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের জন্য আমাদের তরফ থেকে যা করা দরকার, আমরা তার সবকিছু করব। যারা এ ধরনের আচরণ করেছেন তারা যারাই হোন না কেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ থেকে সতর্ক থাকবেন। সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটেছে, আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে পুলিশের যেসব আইনগত ব্যবস্থা সেগুলো আমরা অবশ্যই দেখব।’

পুলিশের বার্ষিক আজান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান সম্পর্কিত বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যে যেই ধর্মেরই হোক না কেন, ধর্ম প্রতিপালনের মাধ্যমে মানুষের নৈতিক মনোবল সুদৃঢ় হয়। কারণ সব ধর্মেই ভালো কাজ করার উপদেশ দেওয়া হয়, অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়‌।’

ড. বেনজীর আহমেদ আরও বলেন, ‘আমাদের বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য, যারা যে ধর্মের আছেন, তারা তাদের ধর্মের যে বিধানাবলী আছে, বিশেষ করে যারা মুসলমান আছেন তারা পবিত্র কোরআনে যে বিধানাবলী আছে, হাদিসে যে পরামর্শগুলো আছে, তা তাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিপালনের চেষ্টা করেন, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত আইজি মো. মাজহারুল ইসলাম। এ সময় অতিরিক্ত আইজিগণ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ, বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য এবং মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

আযান প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন নৌ-পুলিশের সদর দপ্তরের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই-নিরস্ত্র) এম মহিউদ্দিন, দ্বিতীয় হয়েছেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ সদস্য মো. মনিরুল ইসলাম এবং তৃতীয় হয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সদস্য মো. মুসলিম উদ্দিন।

কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার বিশেষ শাখার (এসবি) সদস্য মো. শরীফ উদ্দিন, দ্বিতীয় হয়েছেন র‍্যাব-১৩-এর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই-সশস্ত্র) মো. ওমর ফারুক এবং তৃতীয় হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি রাজশাহী, সারদার নায়েক মো. আরিফুর রহমান।

‘জঙ্গিবাদ দমনে ইসলামের ভূমিকা’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন নৌ-পুলিশ সদর দপ্তরের এএসআই (নিরস্ত্র) এম মহিউদ্দিন, দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকা এসবির উচ্চমান সহকারী শেখ রেজাউল কবির এবং তৃতীয় হয়েছেন ঢাকার টিঅ্যান্ডআইএমের বেতার পুলিশ সদস্য মো. ইব্রাহীম হোসেন।

আরো পড়ুন : সবাইকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনপ্রিয়