পানির কষ্টে মোংলাবাসী, সহায়তার আহ্বান উপমন্ত্রীর

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শনিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২৩ ৭:০৯:৩৬ অপরাহ্ণ

মাসুদ রানা, মোংলা প্রতিনিধি:
পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন, মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয় এলাকার মানুষ পানির জন্য প্রতিনিয়ত কষ্ট পাচ্ছে। আপনারা এ অঞ্চলের অসহায় মানুষদের জীবন বাচতে সহায়তা করুন। আপনারা এনজিওরা এলাকায় কাজ করছেন, তারা যেন সবার আগে অন্তত খাবার পানিটুকু বিশুধরাও দ্ধ ভাবে খেতে পারে এবং মানুষ যেন জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন হয়, সুন্দরবন, বনের সম্পদ-বন্যপ্রানী সহ আমাদের চারপাশের পরিবেশ রক্ষা করে। যাতে দুর্যোগের সময় সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করতে সহায়তা করে, সে ব্যাপারে তারা যেন সচেতন হতে পারে তা নিয়ে আপনারা সকালে কাজ করুন। মোংলা জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমন্ত্রী এ কথ বলেন৷

মোংলা সহ উপকূলীয় চর ও হাওর এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদগুলোর ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির জন্য সাজেদা ফাউন্ডেশন এর “জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক কর্মসূচি’র সচেতনতা মুলক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় মোংলা উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়াম রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিপংকর দাশ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে মোংলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ হাবিবুর রহমান, মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শাহিন, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সাজেদা ফাউন্ডেশনের উর্ধ্বতন উপদেষ্টা মোঃ ফজলুল হক, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি, সাজেদা ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা ড. সামিয়া এ সেলিম সহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন।

শনিবারের জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা মুলক সভায় উল্লেখ করেণ, সাজেদা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি জনমুখী এবং উন্নয়ন মুলক প্রতিষ্টান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সাজেদা ফাউন্ডেশনের জলবায়ু পরিবর্তন ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ৫ টি জেলার মোট ৯টি উপজেলায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনসমষ্টিকে জলবায়ু সহিষ্ণু হিসেবে গড়ে তোলা এবং সে অনুযায়ী মানুষকে সচেতন ও টেকসই করে গড়ে তোলা।

প্রতিষ্ঠানটি ৩২টি জেলা ও ১৮৬টি উপজেলায় দারিদ্র্য বিমোচন, আর্থিক অন্তর্ভূক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য, হাসপাতাল সেবা সহ বিভিন্ন কর্মসূচী চলমান রয়েছে। তাই মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয় এলাকায় বসবাসকৃত মানুষদের সচেতন করে গড়ে তোলাই এ প্রতিষ্ঠানটির মুল লক্ষ ও উদ্দোশ্য।

আরও পড়ুন :শীতে বিপর্যস্ত মোংলার কর্মজীবি মানুষ

জনপ্রিয়