বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে অনুপ্রেরণা

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২২ ১০:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ণ

চলমান বার্তা ডেস্ক
দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের অসাধারণ যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করে কীভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে, তা এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘৫০ এ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য : সমৃদ্ধিতে বন্ধুত্ব’ নামে গতকাল শুক্রবার এ ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।

৫০ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে দুটি কেক কাটা হয়।

বাংলাদেশকে ‘অনেক উন্নয়নের সফলতার গল্প’ হিসেবে উল্লেখ করে এ সময় বক্তারা মানুষের জীবন বদলে দেওয়া প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করেন। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা ও অবদানের কথা তুলে ধরেন।

এ সময় বক্তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন এবং নিজস্ব আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিনিময় করা মূল্যবোধ উত্সাহিত করে ঐতিহাসিক সম্পর্কের মৌলিক স্তম্ভ শক্তিশালী করতে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও জলবায়ু অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যেতে তাদের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার তাসনিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির পথে রয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক যে ঐতিহ্যগত দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হয়, তা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আমাদের সম্পৃক্ততা সত্যিকার অর্থে এখন কৌশলী হওয়া উচিত এবং আমাদের শান্তিরক্ষা, সন্ত্রাসদমন, সমুদ্র ও বিমান নিরাপত্তার সহযোগিতার ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।’

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, দক্ষিণ এশিয়া, জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথ বিষয়কমন্ত্রী ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) লর্ড আহমেদ, বাংলাদেশ বিষয়ক এপিপিজি-এর চেয়ার ও বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত রুশনারা আলী, বাংলাদেশের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ হারবার্টসন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন : একুশে পদক পেলেন যাঁরা

জনপ্রিয়