বাংলাবান্ধায় সিএন্ডএফ এজেন্টদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, জুন ৭, ২০২২ ৬:৫৪:৫৬ অপরাহ্ণ

মো: আমিরুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
ফেডারেশন অফ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের ডাকে সারাদেশের ন্যায় চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় কর্মবিরতি পালন করছেন সিএন্ডএফ এসোসিয়েশন। মঙ্গলবার পূর্ণদিবস জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক কাস্টমস এজেন্ট লাইসেসিং বিধিমালা এবং পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচএস কোড (ঐ ঝ ঈড়ফব) এবং সিপিসি (ঈচঈ) নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন আইন বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০২০ সংশোধনের দাবি একাধিকবার জানিয়ে আসলেও সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে এ কর্মবিরতির ডাক দেয় তারা।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের আহবায়ক রেজাউল করিম রেজা বক্তব্যে বলেন, ২০২০ সালে প্রণীত লাইসেন্সিং বিধিমালা সংশোধনের জন্য কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অনুরোধ জানালেও তারা আমলে নেয়নি। অবশেষে কেন্দ্রীয় ফেডারেশন অফ কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের ডাকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে এই কর্মবিরতি পালন করছি।

এছাড়াও এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাবান্ধা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েসনের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইদুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন মুসা, সিএন্ডএফ সদস্য সাদেকুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে কর্মবিরতির কারণে বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ থাকায় সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আদায়ে বাধাগ্রস্ত হবে। একইসাথে বন্দরে পণ্যবাহী গাড়ির জটের আশঙ্কাও রয়েছে। এ বন্দরে প্রতিদিন ২শ থেকে ২৫০টি পণ্যবাহী গাড়ি আমদানি-রপ্তানী কাজে চলাচল করে। এতে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের ডাকে কর্মবিরতির কারণে স্থলবন্দরের আমদানি কার্যক্রম ব্যহত হওয়ায় সরকারকে হারাতে হবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। তাই দ্রæত সমাধানের মাধ্যমে অচলাবস্থা নিরসনের দাবি করেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুন : সব স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

জনপ্রিয়