বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্টে বিজিবি-বিএসএফের রিট্রিট প্যারেড প্রদর্শন

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, মার্চ ২৭, ২০২২ ৮:১১:০৫ অপরাহ্ণ

আমিরুল ইসলাম; পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
তেঁতুলিয়ায় বাংলাবান্ধায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ৫১তম স্বাধীনতা দিবস স্মরণীয় করে রাখতে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ রিট্রিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে ১৮ বিজিবির পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট ও ১৭৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের ফুলবাড়ি আইসিপিতে এই যৌথ রিট্রিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির উত্তর পশ্চিম রিজিয়ন রংপুরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ বি এম নওরোজ (বিএসপি, পিএসসি) ও বিএসএফের নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার আইজি শ্রী অজয় সিং। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির ঠাকুরগাঁওয়ের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল সোহরাব হোসেন (পিএসসি), পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে ঃ কর্ণেল গোলাম ফজলে রাব্বি (বিজিবিএম, পিএসসি) ও শিলিগুড়ি সেক্টর বিএসফের ডিআইজি শ্রী পরশু রাম, ১৭৬ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট শ্রী হরিশ চন্দ্রসহ বিজিবি-বিএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দুই দেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং দুই দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধনের অংশ হিসেবে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়, উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পরে বিজিবি-বিএসএফ প্যারেড কন্টিনজেন্ট চমকপ্রদ ও মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শন করেন। বিজিবি-বিএসএফের চমকপ্রদ ও মনোমুগ্ধকর প্যারেড উপভোগ করতে বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা দেখতে ভিড় জমান।

বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ও বিএসএফ ফ্রন্টিয়ার কমান্ডার অভিমত প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতা দিবসে এ ধরণের অনুষ্ঠান দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন ও মানুষকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে। বিশেষ করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ৫১তম বার্ষিকী স্মরণীয় দিনটিকে আরও গৌরবান্বিত করার লক্ষে দুই দেশের বন্ধুত্বের এই নিদর্শন যৌথ রিট্রিট প্যারেডের আয়োজনকে সাধুবাদ জানান। পরে বিজিবি-বিএসএফ ঐতিহাসিক জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য স্মারকচিহ্ন বিনিময় করা হয়।

আরো পড়ুন : জলঢাকায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

জনপ্রিয়