মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংসের নির্দেশ আদালতের

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, জুন ১৮, ২০১৯ ৮:৩৬:০৪ অপরাহ্ণ
High Court
ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:
মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোট। দেশে ৯৩% ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ন ওষুধ বিক্রি হচ্ছে এমন খবর প্রকাশের পর হাই কোর্ট আগামী এক মাসের মধ্যে বাজারে থাকা সব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। এ ধরনের ওষুধ বিক্রেতা, সরবরাহকারী ও সংরক্ষণকারীদের শনাক্ত করার জন্যেও আদালত কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে।

সম্প্রতি ঢাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক দেশের অধিকাংশ দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। এরই ভিত্তিতে আদালতে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান মিলন।

তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে ১০ই জুন একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল যাতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি তথ্য ফাঁস করেন যেখানে বলা হয় যে ৯৩% ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ছ’মাস ধরে পরিচালিত এক অনুসন্ধানে তারা এই তথ্য পেয়েছেন।

চলমান বার্তার অন্যান্য খবর>>

নির্বাচিত সরকারকে অবৈধ বলা হাস্যকর : ওবায়দুল কাদের

একনেকে ৮০৫৩ কোটি টাকার ১১ প্রকল্পের অনুমোদন

মাশরাফি-সাকিব-লিটনের সাথে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আদালত কক্ষে মারা গেলেন মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোরসি

মাহফুজুর রহমান বলেন, বাজারে যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি না হয় সেটা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব এবং সেজন্য দেশে নানা আইনও রয়েছে। “সরকারের এই নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না হাই কোর্ট এরকম একটি রুল জারি করে একমাসের মধ্যে সারাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ যতো ওষুধ আছে সেগুলো জব্দ করে এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছে।”

তিনি জানান, এসব ওষুধ বিক্রির সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও আদালত নির্দেশ দিয়েছে।  আদালতের এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করার জন্যে দুটো কর্তৃপক্ষ আছে- ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আইনগতভাবে এটা তাদেরই দায়িত্ব যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজারে বিক্রি হতে না পারে।

এক মাস পরেও যদি বাজারে এধরনের ওষুধ পাওয়া যায় তাহলে এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে লাইসেন্স বাতিল করা, জরিমানা এবং কারাদণ্ডও হতে পারে। ২০০৯ সালের মোবাইল কোর্ট আইন অনুসারেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের প্রতিবেদনটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এরকম একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে যখন এধরনের তথ্য আসে তখন তার নিশ্চয়ই একটা ভিত্তি আছে।

তবে আদালত ওই রিপোর্ট দাখিল তাদের কাছে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেজন্যে বাংলাদেশে বেশকিছু আইন রয়েছে। ওষুধ যারা উৎপাদন করেন তাদেরও দায়িত্ব মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই সেসব ওষুধ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া।

আরও পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিরোধের নতুন ওষুধ আবিস্কার

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ

জনপ্রিয়