মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে বিকল্প কর্মসংস্থান

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, জানুয়ারি ১০, ২০২২ ৬:৫৪:৩৩ অপরাহ্ণ

আজিজুর রহমান, খুলনা
মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ততা ছাড়া ইলিশ মাছের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। ইলিশের উৎপাদন অংনেকাংশে মৎস্য কর্মকর্তা ও জেলেদের সক্রিয় অংশ গ্রহণের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য উৎপাদন বাড়তে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, মাছের আবাস ও প্রজননের স্থান রক্ষা, জাটকা ও মা মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নজর দেয়া হচ্ছে মৎস্যজীবী মানুষগুলোর জীবনমান উন্নয়নেও।

আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে গল্লামারীস্থ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক তিন দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা উঠে আসে। ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় খুলনা জেলা মৎস্য অধিদপ্তর এর আয়োজন করে। এতে খুলনার দাকোপ, বটিয়াঘাটা এবং বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ২৫ জন জেলে অংশ নেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পালের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবু ছাই। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অরুণ কান্তি মণ্ডল। বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম রাসেল, বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের জ্যেষ্ঠ সহকারি পরিচালক জিএম সেলিম, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক সরোজ কুমার মিস্ত্রি।

আলোচকেরা জানান, দেশে ইলিশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের জীবিকার প্রধান উৎস হচ্ছে ইলিশ। শুধু ইলিশ নয়, সাগরকেন্দ্রিক অর্থনীতির উন্নয়নে অন্যান্য মাছের গুরুত্বও রয়েছে। এজন্য সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যাণ্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের সহায়তায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় মাছ ধরা যখন নিষিদ্ধ থাকে, তখন সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ওপর জেলেদের খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রগামী জেলেদের দাদন ব্যবসা থেকে বের করে আনার জন্য সরকার ভাবছে। জেলেদের সারা জীবন যাতে একটি পেশায় আটকে থাকতে না হয়, সে জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।

 

 

জনপ্রিয়