শিরোনাম

যে পাঁচ কারণে আবারও ক্ষমতায় মোদি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০১৯ ৮:১৪:৪৬ অপরাহ্ণ
Modi
ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:
আবারো পাঁচ বছরের জন্য দিল্লীর মসনদে বসছেন নরেন্দ্র মোদি। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দ্বিতীয়বার মোদির জয়কে ভিন্নভাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু মোদির জয়ের ব্যাপারে পাঁচটি কারণ চিহ্নিত করেছে।

নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিত্ব:
ভোটের প্রচারণায় মোদির ব্যক্তিত্ব মানুষের কাছে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল। এ ছাড়াও মোদির হিন্দুত্ব জাতীয়তাবাদও তাঁর জয়ের অন্যতম একটি কারণ। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ব্যাপারে মোদির বক্তব্যও তাঁকে নির্বাচনে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে। এ ঘটনায় কোন বক্তব্য কীভাবে দিলে মানুষের আরো কাছে পৌঁছাবে তা মোদি ভাল ভাবেই জানতেন। এর মধ্যে হামলাকারীদের উদ্দেশে বলা কিছু বক্তব্যের মধ্যে একটি হলো, ‘ঘরে ঢুকে (হামলাকারীদের) মারব’। এ ধরনের কিছু আবেগপূর্ণ বক্তব্য জনগণকে আকৃষ্ট করেছিল। তাই মোদির এ ধরনের আবেগপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে অনেক সাধারণ মানুষেরাই সুনজরে দেখেছেন।

জাতীয় নিরাপত্তা:
ভারতে নতুন সংযোজিত জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এক করেছে। ফলে বিজেপির পক্ষে যায় হিন্দুদের ভোট। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হলেও এবারে এসে এটি আরো প্রসারিত হয়েছে। যদিও ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজেপির নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে তারা এ পদ্ধতি এগিয়ে থাকে। এবার নতুন করে পশ্চিমবঙ্গেও নিজেদের অবস্থান পোক্ত করছে দলটি।

সরকার নিয়ে আলোচনা না হওয়া:
গত পাঁচ বছরে সরকার নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা দৃশ্যমান হয়নি। ফলে সরকারের দুর্বল দিক ও বিতর্ক খুব সহজেই পাশ কাটাতে পেরেছেন নরেন্দ্র মোদি। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় গণমাধ্যমের সাহায্যও পেয়েছেন মোদি। বিভিন্ন কল্যাণমূলক আলোচনার মোদির পাঁচ বছরের কাজ আড়ালে থেকে যায়, এটিও মোদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে। বিভিন্ন আলোচনার মধ্যে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও চাকরির ক্ষেত্র তৈরির মতো বিষয়গুলোও আড়ালে চলে যায়।

কংগ্রেসের দুর্বল প্রচারাভিযান:
বিজেপির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস বিভিন্ন প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করে। যেই প্রচারণাগুলোতে বিজেপির মতো সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়নি। সেক্ষেত্রে মোদির বিজেপি বেশ এগিয়েই ছিল। যার প্রভাব পড়েছে নির্বাচনেও। কংগ্রেসের প্রচারণায় কাঠামোগত সমস্যাগুলো জনগণের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের দুরত্ব বাড়িয়েই তুলেছিল। এদিকে সারা বিশ্বের রাজনীতিবিদরাও বলছেন, রাজনীতিতে রাহুল গান্ধী এখনো ততটা বিকাশ লাভ করতে পারেননি।

জোট নিয়ে কংগ্রেসের জট:
বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গেও জোট বাঁধতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপিকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দেওয়ার মতো কোনো জোট করতে পারেনি কংগ্রেস। আম আদমি পার্টিরসহ বিভিন্ন দলের সাথে অভিন্ন ফ্রন্ট গড়ে তোলার ব্যর্থতা ছিল দলটির। এ ছাড়া উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদি রাজ্যে কংগ্রেস কোনো প্রকৃত শরিক পায়নি।

আরও পড়ুন :দ্বিতীয়বারের মতো দিল্লীর মসনদে বসছেন নরেন্দ্র মোদী

Leave a Reply

Your email address will not be published.

জনপ্রিয়