রায়গঞ্জে গো- খাদ্যের দাম বাড়ায় খামারিরা বিপাকে

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, এপ্রিল ৫, ২০২২ ৬:০২:৫৩ অপরাহ্ণ

রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে দিন দিন কমে যাচ্ছে আবাদি জমি, ফলে গো-খাদ্য সংকটে পড়ছে গবাদি পশু খামারিরা। উপজেলার বিভিন্ন চাষাবাদি জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মুরগির খামার, বাসা-বাড়ি তোলার কারণেই আবাদি ধানের জমিগুলো দিন দিন কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন উপজেলার অধিকাংশ সচেতন কৃষকেরা। ফলে উৎপাদনের চেয়ে বেড়েছে চাহিদার পরিমাণ।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়,  গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় হতাশ খামারিরা। ফলে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র খামারিরা।

এদিকে নিম্ন আয়ের প্রায় প্রতিটি পরিবার গবাদি পশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। আবার অনেকেই গবাদি পশুর ছোট ছোট খামারও গড়ে তুলেছেন। এ সব গবাদি পশুর জন্য খাদ্য হিসেবে মণ ভাও খড় কিনতেও দেখা গেছে অনেক কৃষককে।

এদিকে, গো-খাদ্য হিসেবে খড়ের চাহিদা বাড়ায় উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মৌসুমি কয়েকজন ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই খড় বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন। তারা পাশ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে খড়ের স্তুপ কিনে মণ ভাও অথবা ছোট ছোট আঁটি তৈরি করে স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করছেন।

এমনিতে খড়ের দাম আকাশচূম্বি, তার ওপর ভুসি, চালের গুড়াসহ বিভিন্ন দানাদার গো-খাদ্যের দামও লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে, প্রতি কেজি ভুসি, ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, ধানের গুঁড়া প্রতি কেজি, ১৫ থেকে ১৮ টাকা, খুঁদ প্রতি কেজি, ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার কিছু কিছু বড় খামারিরা ঘাসের চাষ করলেও ক্ষুদ্র খামারিরা গো-খাদ্য নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। খামার ধরে রাখতে চড়া দামে খড় কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এমতাবস্হায় দানাদার খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন উপজেলার ক্ষুদ্র গবাদিপশু খামারিরা।

আরো পড়ুন : রায়গঞ্জে কৃষি প্রযুক্তি মেলা ও প্রদর্শনী উদ্বোধন

জনপ্রিয়