রায়গঞ্জে জনভোগান্তি দূর হলো কেফাত আলীর বাঁশের সাঁকোয়

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, জানুয়ারি ৯, ২০২২ ৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ণ

রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ফুলজোর নদী। অতি প্রাচীনতম এই নদী সবার কাছেই পরিচিত। ফুলজোর নদীর দু পারে লাখো মানুষের বসবাস। এপার-ওপারের মানুষের সাথে নিবিড় সর্ম্পক রয়েছে। অন্যথায় যোগাযোগের একমাত্র পথ নৌকা দেশের সকল জায়গা উন্নয়নের ছোয়া লাগলেও ছোয়া লাগেনি উভয় ইউনিয়ন ঘুড়কা ও ধানগড়া ইউপির মাঝ দিয়ে বয়ে চলা ফুলজোর নদীর বুকে।

দীর্ঘ কয়েক যুগ হলো নদীর দুই পারের জন সাধারণ চলাচলের বাহন হিসেবে নৌকা ব্যবহার করে আসছে। আর এই নৌ যোগে পারাপার খুবই কষ্ট কর ও সময় সাপেক্ষ বিষয়, একটি নৌকা এপার থেকে ওপার যেতে ৫০ মিনিট সময় লাগে। কথায় আছে নৌকা ফেল তো ট্রেন ফেল। তেমনি অবহেলিত ভাবে পরে আছে ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানপুর খেয়াঘাট, যুগের পরিবর্তন হয়েছে।

কিন্তু পরিবর্তন হয়নি এই খেয়া ঘাটের। তাইতো চলাচলকারীদের দুঃখ কষ্টের কথা ভেবে ও চলাচলের পথ সুগম করতে চির বহমান চলমান ৩০ ফুট গভীর জল থেকে গড়ে তোলা ফুলজোর নদীর উপর প্রায় ৫০০ ফুট সাঁকো বাঁশ দিয়ে তৈরী করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঐ খেয়া ঘাটের মাঝি মোঃ কেফাত আলী। সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকা নিলাম তুলে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ব্যয় করে বাঁশের সাঁকোটি তৈরী করেছেন। আর এই বাঁশের তৈরী সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ নিরবিঘ্নে পার হচ্ছে।

উপজেলা ও রায়গঞ্জ বাজার আসা যাওয়ার সোজা পথ তাই তো প্রতিদিন দুর দুরান্ত থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ জয়ানপুর খেয়াঘাটের মাঝির তৈরি কৃত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাফেরা করছে। জানা যায়, উপজেলার রায়গঞ্জ, ধানগড়া, জয়ানপুর, বেষ্টপুর, বেংঙনাই, তেগুরী, গংগা  রামপুর, আটঘরিয়া, দরবস্ত,বাসুরিয়া, বেগমপুর ঘুড়কা ইউনিয়নের জঞ্জালীপাড়া, লাঙলমোরা, কালীকাপুর,দাদপুর, সাহেবগঞ্জ গ্রামের মানুষ ঐ সাঁকো বেয়ে রাতদিন চলাফেরা করছে।

বর্তমান সরকারের কাছে সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর দাবি ধানগড়া ইউনিয়নের জন গুরুত্বপূর্ণ জয়ানপুর খেয়াঘাটে ফুলজোর নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ। এ বিষয়ে ধানগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর ওবায়দুর রহমান মাসুমের সাথে মোঠফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে জয়ানপুর খেয়াঘাটে নৌকা যোগে পারাপার হচ্ছে জনগণ, বিষয়টি আমি নজরে রেখেছি, উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। জয়ানপুর ফুলজোর নদীর উপর ব্রীজ তৈরী হলে ধানগড়া ও ঘুড়কা উভয় ইউপির মানুষের মধ্যে এক সেতুবন্ধন তৈরি হবে এবং যোগাযোগের পথ সুগম হবে।

জনপ্রিয়