রিজার্ভের টাকা অলস রাখা ঠিক নয় : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, নভেম্বর ১৪, ২০২২ ৬:১৪:১৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ সোমবার নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : ফোকাস বাংলা

চলমান বার্তা ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রিজার্ভের টাকা নিয়ে অলস বসে থাকা ঠিক হবে না। আমাদের জনগণের ভোগান্তি কমাতে হবে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আজ সোমবার নবনির্বাচিত ৫৯ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথবাক্য পাঠ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের মোট ৬২৩ জন সদস্যও শপথ নেন।

প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নিজ এলাকা খাদ্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করতে দ্রুত ব্যবস্থার কথা জানিয়ে বলেন, যাতে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরকে নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনকল্যাণমূলক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং তার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন যেন নিশ্চিত হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এখানে আপনাদের একটা বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। এলাকায় কী ধরনের অসুবিধা আছে, মানুষের জন্য কি কল্যাণকর কাজ করা যেতে পারে। উন্নয়নের জন্য কি কাজ করতে পারেন, সেটা আপনাদের ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র রয়েছে, অনেক দল রয়েছে। কেউ দল থেকে বা কেউ আলাদাভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে, যখন আপনি ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন, তখন আপনার দায়িত্ব সকলের জন্য।

শেখ হাসিনা নিজের উদাহরণ টেনে বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কে আমাকে ভোট দিলো আর কোন এলাকার ভোটার সেটা দেখিনি। আমি সার্বিক উন্নয়নের ব্যবস্থা করেছি। প্রতিটি মানুষ যাতে উন্নয়নের ছোঁয়া পায়, সে ব্যবস্থাই নিয়েছি। আমরা ৬১টি জেলা পরিষদে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা এবং এডিপির আওতায় ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিচার প্রাপ্তি সহজ করতে ২৭টি জেলার ১৩৫টি উপজেলার ১ হাজার ৮০টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) বাস্তবায়ন করেছে। মানুষ যাতে ন্যায়বিচার পায় সেজন্য আলাদা ফান্ড দিয়ে লিগ্যাল এইড কমিটি করে দিয়েছি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন যতভাবে করা যায় তা করেছি।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম জেলা পরিষদের নির্বাচিত এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন : বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বিদেশি ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

জনপ্রিয়