হরিপুর এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী নেহারুলের যত অনিয়ম ও দুর্নীতি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, আগস্ট ৩, ২০২২ ১:১৩:২১ অপরাহ্ণ

ফাইদুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী নেহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত ৬ মে ২০১৮ইং তারিখে এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার নামে একটি (সংস্থা) সংগঠন আউট-সোসিং পদ্ধতির আওতায় সংস্থাটি সমগ্র দেশে শহর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি ঠাকুরগাঁও দপ্তরে উপ-সহকারী পদে নিয়োগ করে নেহারুলকে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে শর্ত সাপেক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে উপ-সহকারী পদে নিয়োগ দেয়া হয়। জেলা প্রকৌশলীর নির্দেশে হরিপুর উপজেলায় কর্মরত আছেন তিনি।

তবে উল্লেখ্য যে, তার নিয়োগ পত্রের ৮নং শর্তাবলীতে স্পষ্ট বলা আছে যে আউট সোসিং স্টাফ হিসাবে তার নিয়োগের মেয়াদ ৩০জুন ২০২০ তারিখে শেষ হবে।

কিন্তু তার নিয়োগের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দের বছর অতিবাহিত হলেও ঠাকুরগাঁও নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর ও হরিপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদার রহমানের সহযোগিতায় হরিপুর উপজেলা এলজিইডি অফিসে কর্মরত থেকে বহাল তবিয়তে বেতন ভাতা অবৈধ ভাবে ভোগ করছেন।

নেহারুল ইসলাম এলজিইডি অফিসের বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলে সাক্ষরসহ বিভিন্ন কাজ দেখভাল করছেন বলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। এমন দুর্নীতিবাজ উপ-প্রকৌশলীর অপসারণ চায় হরিপুরবাসী।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক হরিপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানান, তার চাকরি নেই সে তো অবৈধ তার বেতন ভাতা কিভাবে পাচ্ছে আর বিভিন্ন বিলের ফাইলে কিভাবে স্বাক্ষর করে ঠিকাদারদের বিল দিচ্ছেন। প্রকৌশলী স্যার কিভাবে তাকে কাজে পাঠাচ্ছেন কাজ দিচ্ছেন আমাদের লজ্জা হচ্ছে এই অনিয়ম তিনি জেনেও না জানার ভান করছে।

তবে অভিযোগ রয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী মাসুদার রহমানের সাথে নেহারুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। সেই সাথে তিনি এলজিইডি অফিসের যারা স্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত তাদের বাদ দিয়ে বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত করেন।

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নেহারুল ইসলাম বলেন, “ঘটনা সত্য তবে আমাদের অথোরিটি আমাদের নিয়োগের মেয়াদ বাড়ার কথা কিন্তু এখনো বাড়ায়নি, বেতন তো পাচ্ছি সমস্যা কোথায়”।

এ বিষয়ে হরিপুর উপজেলা প্রকৌশলী মাসুদার রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী সাহারুল আলম মন্ডলের সাথে এই নাম্বারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন রিসিভ হয়নি।

এ ব্যাপারে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বহ্নি শিখাঁ আশা বলেন,আমরা অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আরও পড়ুন :পীরগঞ্জে কঙ্কাল চুরির ঘটনায় থানায় মামলা

জনপ্রিয়